পরীক্ষায় ফেল নিয়ে অভিযোগ
কিশোরগঞ্জে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ভোগান্তি, ক্ষোভ আবেদনকারীদের
কিশোরগঞ্জে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও নানা জটিলতার অভিযোগ উঠেছে। আবেদনকারীদের দাবি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে কিশোরগঞ্জে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া এখন অনেকটাই “সোনার হরিণে” পরিণত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, জেলা বিআরটিএ কার্যালয়ে মাসের পর মাস ঘুরেও অনেক আবেদনকারী কাঙ্ক্ষিত লাইসেন্স পাচ্ছেন না। বিশেষ করে লিখিত, মৌখিক ও জিগজ্যাগ প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক আবেদনকারীকে ফেল করিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় দুই শতাধিক আবেদনকারী অংশ নিলেও পাশের হার দেখানো হয় প্রায় ৩০ শতাংশ। এতে অষ্টম শ্রেণি ও এসএসসি পাস অনেক তরুণ লাইসেন্স না পেয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ হারাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করার দায়িত্ব বিআরটিএ’র হলেও লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার বেশিরভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এতে পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক প্রভাব তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরীক্ষার্থীরা জানান, নির্ধারিত দিনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের করিডোরে অপেক্ষা করতে হয়। অনেকেই তিন থেকে চারবার পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারছেন না।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ডিজিটাল যুগে সেবাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিআরটিএ’র কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা জেলা প্রশাসনের লোকজন পরিচালনা করেন। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


















