বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসজীবনেও জনসেবায় মনোযোগ

দারোরায় চেয়ারম্যান পদে লুৎফর রহমানের নাম আলোচনায়

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০২ এএম
দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান।

দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • প্রবাসী ব্যবসায়ী থেকে সমাজসেবক—কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় লুৎফর কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমানের।
  • দীর্ঘ প্রবাসজীবনে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি নিজ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় তার প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
  • ১৯৮৩ সালে মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান।

প্রবাসী ব্যবসায়ী থেকে সমাজসেবক—কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় লুৎফর

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমানের। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি নিজ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় তার প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

১৯৮৩ সালে মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান। তিনি আলহাজ্ব মো. আব্দুল খালেক ও আম্বিয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি একজন।

লুৎফর রহমানের ছোট ভাই মরহুম হাবিবুর রহমান হাবু ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দারোরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী ২০২২ সালের নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হন। তবে গত বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর ওই ওয়ার্ডে এখনো উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।

কাজিয়াতল বড়বাড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ফয়জুল উলুম ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মুরাদনগর বড় মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন লুৎফর রহমান। ১৯৯৭ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রমের পর ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা পান এবং ‘সৌদি বিল্ডিং মেইনটেনেন্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

প্রবাসে ব্যবসার পাশাপাশি দেশের নিজ এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়েও তিনি কাজ করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। তার দাবি, এ পর্যন্ত আট হাজারের বেশি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

এ ছাড়া কাজিয়াতলসহ দারোরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহের উন্নয়ন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

দৈনিক আজকের কথা
আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। এলাকার মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা ও সমাজের জন্য কাজ করার আগ্রহের কারণে তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।
— মো. জামাল হোসেন
সমাজসেবক, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, কাজিয়াতল।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান বলেন, মানুষের পাশে থেকে সেবার পরিধি আরও বাড়াতে চান তিনি। কাজিয়াতলসহ পুরো দারোরা ইউনিয়নকে আধুনিক ও বৈষম্যহীন একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চান।

স্থানীয়দের একটি অংশও দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবককে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে জানা গেছে।

তবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে তার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন-সংক্রান্ত পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যু, সাংবাদিকদের নিয়ে ক্ষোভ কেন নারী চিকিৎসকের?

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যু, সাংবাদিকদের নিয়ে ক্ষোভ কেন নারী চিকিৎসকের?

চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্টে সাংবাদিকদের কটাক্ষ, তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রসবের সময় নবজাতকের মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যুর অভিযোগের পর সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে এক নারী চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক ও হাসপাতালের দায় নির্ধারণে এরই মধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল তদন্ত কমিটি গঠন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ফারজানা খন্দকারকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্যটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
— ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলসংলগ্ন আল নুর হাসপাতালে শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করিণী গ্রামের প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী নাজমা আক্তারের প্রসব করানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, প্রসবের সময় নবজাতকের মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং পরে শিশুটির মৃত্যু হয়।

এরপর ৫ সেপ্টেম্বর প্রসূতির স্বজনরা চিকিৎসায় ভুলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে আলোচনায় আসে বিষয়টি।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট নারী চিকিৎসক ডা. খাইরুন্নাহার কেয়ার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি পোস্ট নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। সেখানে তিনি প্রসববেদনা, পানি ভাঙাসহ চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে যাওয়ার ব্যঙ্গাত্মক পরামর্শ দেন।

চিকিৎসকের ওই মন্তব্যকে সাংবাদিকদের প্রতি কটাক্ষ ও আপত্তিকর বক্তব্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। নবজাতকের মৃত্যুর মতো গুরুতর একটি ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর একজন চিকিৎসক কেন সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করলেন—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে ডা. কেয়া তার ফেসবুক পোস্টের বক্তব্য অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, তিনি যা লিখেছেন, তা তার ফেসবুকেই রয়েছে এবং সেখান থেকেই দেখে নিতে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্যটি তাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা। নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী ছিল, চিকিৎসক বা হাসপাতালের কোনো গাফিলতি ছিল কি না এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তদন্তের মাধ্যমে এসব বিষয়ই স্পষ্ট হবে।

রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে দেবীদ্বারে বিএনপির মানববন্ধন

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৬ পিএম
রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে দেবীদ্বারে বিএনপির মানববন্ধন

দুই বিএনপি নেতাকে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ

দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেবীদ্বারের এলাহাবাদ বাজারে এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা অধ্যাপক আক্তার হোসেন, দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দীন তপন, এলাহাবাদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কৃষক দলের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. লিটন, এলাহাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক মেম্বার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হেলাল, মো. ইব্রাহিম, এলাহাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জুয়েলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ঢাকার গুলশানের বাসভবনে বিএনপির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

তাদের দাবি, দলের সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে তারা ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, মো. নজরুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তারা তাকে দলের দুর্দিনের একজন কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।

এদিকে, একই ঘটনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। ৪ অক্টোবর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। নোটিশে নজরুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও মারধরের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

দেবীদ্বারে ৫২ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০টিতে পেল ক্রীড়া সামগ্রী

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
দেবীদ্বারে ৫২ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০টিতে পেল ক্রীড়া সামগ্রী

৫২ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ধাপে পেল ১০টি

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৫২টি উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ধাপে ১০টি বিদ্যালয়ে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ক্রীড়া পরিদপ্তর থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য কোটায় বরাদ্দ পাওয়া এসব সামগ্রী শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে এ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সল উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বানিন রায়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মো. জাহাঙ্গীর, দেবীদ্বার উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. ময়নাল হোসেন (ভিপি ময়নাল), এনসিপি উপজেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, ক্রীড়া পরিদপ্তর থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য কোটায় পাওয়া বরাদ্দের ক্রীড়া সামগ্রী প্রথম ধাপে ১০টি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতরণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি বিদ্যালয়েও এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বরাদ্দ পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে বাকি বিদ্যালয়গুলোতেও ক্রীড়া সামগ্রী দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদকসহ নানা অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের আগ্রহী করে তুলতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

×
ENG