শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাদাপাথর লুটপাট: ৫২ প্রভাবশালীর নাম প্রকাশ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫, ১০:১৬ পিএম
সাদাপাথর লুটপাট: ৫২ প্রভাবশালীর নাম প্রকাশ
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর লুটপাট করার পেছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৫২ জন প্রভাবশালীর নাম প্রকাশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যসহ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর কর্মকর্তারা রয়েছেন।

সাদাপাথর লুটপাট

দুদকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর এলাকা থেকে কয়েকশ কোটি টাকার পাথর উত্তোলন ও লুটপাট হয়েছে। খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, কোম্পানীগঞ্জের চার ইউএনও, থানা ও বিজিবির কর্মকর্তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই ঘটনায় জড়িত। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ ও এনসিপির নেতাদেরও নাম উঠে এসেছে।

দুদকের অভিযান ও তদন্ত

১৩ আগস্ট দুদকের সিলেট সমন্বিত কার্যালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সাদাতের নেতৃত্বে সাদাপাথর এলাকায় অভিযান চালায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় প্রশাসন ও প্রভাবশালীদের সহায়তায় সরকারি পর্যটন ও নদী তীর থেকে পাথর চুরি করে স্টোন ক্রাশার মিলের মাধ্যমে তা ধ্বংস করা হয়েছে।

পাথরের অবৈধ উত্তোলন চলেছে বিশেষ করে গত তিন মাস ধরে, যদিও পর্যটন এলাকা সংরক্ষিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৮০% পাথর স্থানান্তর করা হয়েছে, যার ফলে গর্ত ও বালুচরের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসন ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়

দুদকের প্রতিবেদনে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোকে অবহেলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী খনিজ সম্পদ উত্তোলন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে দায়ী করে বলা হয়েছে, তারা পাথর লুটপাটে সরাসরি বা ইঙ্গিতমূলকভাবে প্রশ্রয় দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় পাথর লুট দীর্ঘদিন অব্যাহত হয়েছে।

পুলিশ সুপার ও কোম্পানীগঞ্জ থানার কর্মকর্তা, ইউএনওদেরও দায়ী করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, প্রতি ট্রাক অবৈধ পাথর উত্তোলনের খরচ ও কমিশন ভাগাভাগি করা হতো, পুলিশ ও প্রশাসন উভয়ই এতে অংশগ্রহণ করেছে। বিজিবি পোস্ট থেকেও আর্থিক সুবিধা গ্রহণ ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে পাথর লুট সহজভাবে চালানো সম্ভব হয়েছে।

রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীদের নাম

দুদকের প্রতিবেদনে বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ ও এনসিপির ৪২ জন রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপি: রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাহাব উদ্দিন, হাজি কামাল, লাল মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ওরফে দুদু, রুবেল আহমেদ বাহার, মো. দুলাল মিয়া ও অন্যান্য।
আওয়ামী লীগ: বিলাল মিয়া, শাহাবুদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, আবদুল ওদুদ আলফু, মনির মিয়া, হাবিল মিয়া, সাইদুর রহমান।
জামায়াত: মো. ফকরুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন।
এনসিপি: নাজিম উদ্দিন, আবু সাদেক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
অতিরিক্ত ১১ জন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালীও তালিকায় রয়েছে।

নেতাদের প্রতিবাদ

নাম প্রকাশিত নেতারা দাবি করেছেন, তারা পাথর লুটপাটে জড়িত নন। সিলেট মহানগর বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, “দুদকের প্রতিবেদন ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” তারা চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, প্রমাণ দেখালে শাস্তি মেনে নেবেন।

সাদাপাথর লুটপাট তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। দুদকের উদ্যোগে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও দণ্ড নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ

মুরাদনগরের গকুলনগরে মহাসড়কে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর লাশ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১১:১৭ এএম
মুরাদনগরের গকুলনগরে মহাসড়কে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর লাশ

কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের মুরাদনগর উপজেলার গকুলনগর এলাকায় সড়কের ওপর পড়ে থাকা এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুতগতির কোনো অজ্ঞাত যানবাহনের চাপায় ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে গকুলনগর এলাকার গাউছিয়া সুপার মার্কেট সংলগ্ন বদিউল আলম মিয়ার পুকুরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে মহাসড়কে টহলরত অবস্থায় মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ সড়কের পাশে এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। নিহত নারীর বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আক্তারুজ্জামান জানান, অজ্ঞাত পরিচয়ের একটি দ্রুতগামী যানবাহন ওই নারীকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

আবেগঘন পোস্টে আলোড়ন

বিয়ের ছবি প্রকাশ করলেন দীপ্তি, স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা ভাইরাল

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
বিয়ের ছবি প্রকাশ করলেন দীপ্তি, স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা ভাইরাল

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন…’

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন এক বার্তা শেয়ার করে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”— যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘টু দ্য পয়েন্ট’ ও ‘স্ট্রেইট কাট’-এর মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ের আকদ সম্পন্ন হয়েছে শুক্রবার (৫ জুন)। রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান।

দীপ্তি চৌধুরীর জীবনসঙ্গী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় একজন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর University of Oxford থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

দীপ্তির পরিবারের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, শুক্রবার আকদের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বৈবাহিক জীবন শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে।

আকদের পর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েকটি বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে প্রাণবন্ত ও হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় আসে স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা তার আবেগঘন ক্যাপশন।

পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। সহকর্মী, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, দীপ্তির ব্যবহৃত উক্তিটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর একটি জনপ্রিয় সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ছিল, “ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।” দীপ্তি সেই বিখ্যাত সংলাপের ‘ডাক্তার সাহেব’-এর স্থলে ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করে নিজের ভালোবাসা ও আবেগ প্রকাশ করেছেন।

নতুন জীবনে পা রাখা দীপ্তি চৌধুরী ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তাদের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

শেখ হাসিনার সমর্থনে বিক্ষোভ

হাজারো নেতাকর্মীর শক্তি প্রদর্শন, নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের মিছিলে পিছু হটল পুলিশ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:১১ এএম
হাজারো নেতাকর্মীর শক্তি প্রদর্শন, নোয়াখালীতে ছাত্রলীগের মিছিলে পিছু হটল পুলিশ

নোয়াখালী সদর উপজেলায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। বিপুলসংখ্যক মিছিলকারীর উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে সরে যান বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজের পর সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজার এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ হাসিনার সমর্থনে বিক্ষোভ, জনসমাগমে নিয়ন্ত্রণ হারায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে মিছিলের আয়োজন করা হয়। জুমার নামাজ শেষে এক হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক বাঁধের হাট বাজার এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুরুতে পুলিশ মিছিল ঠেকানোর চেষ্টা করলেও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নেন।

মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফুল করিম চৌধুরী বাবু। তিনি বলেন, “দেশে অন্যায়, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই আমরা রাজপথে নেমেছি। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এদিকে, মিছিলকারীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে পুলিশ সদস্যদের সরে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রথমে কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

ওসি বলেন, “পুলিশের ছয় সদস্যের একটি টিম সেখানে ছিল। কিন্তু মিছিলকারীদের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় আমরা নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়েছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×