মারা গেলেন বীরযোদ্ধা সখিনা বেগম, যিনি একাই কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন পাঁচ রাজাকারকে
সশস্ত্র প্রতিরোধের সাহসী প্রতীক, নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম (৯৩) আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বড়মাইপাড়া গ্রামে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিজের ভাগনেকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে শহীদ হতে দেখে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে যুদ্ধে নামা এই নারী এক পর্যায়ে পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেন। তার ব্যবহৃত সেই দা আজো সংরক্ষিত আছে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।
কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলের নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক সাহসী অধ্যায়ের অবসান ঘটলো। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল হক নাহিদ।
১৯৭১ সালে যখন দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন সখিনা বেগম সম্মুখযুদ্ধে যোগ না দিলেও পেছনের কৌশলগত ভূমিকায় অসামান্য অবদান রাখেন। বসু বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না, গোপন তথ্য সরবরাহ এবং রাজাকারদের গতিবিধি নজরে রাখা ছিল তার কাজ। পাকিস্তানি সেনাদের হাতে ধরা পড়েও কৌশলে পালিয়ে এসে সশস্ত্র প্রতিশোধে নামেন তিনি। তার হাতে খুন হওয়া পাঁচ রাজাকারের মৃত্যুর কাহিনি এখন ইতিহাসের অংশ।
নিজ জন্মস্থান নিকলীর গুরুই গ্রামে সখিনার কোনো আত্মীয়স্বজন না থাকায় তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে হিলচিয়ার বড়মাইপাড়ায় ভাগ্নির বাড়িতে বাস করছিলেন। মঙ্গলবার ভোর ৫টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়। আসরের নামাজের পর গুরুই ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে শাহী মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের এক জীবন্ত অধ্যায়। তার সাহস, প্রতিশোধের দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমের নজির নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর রেখে যাওয়া ইতিহাস, বিশেষ করে রাজাকার নিধনে ব্যবহৃত সেই দা—আজও ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দাঁড়িয়ে আছে নীরব সাক্ষী হয়ে।
হামলা মামলায় দুই ভাই আটক
মুরাদনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা মামলায় দুই সহোদর আটক
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল গ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের দফায় দফায় হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া অভিযোগের পর অভিযান চালিয়ে একই পরিবারের দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, কাজিয়াতল গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে মো. জহির (২৮) ও তার আপন ছোট ভাই মো. সায়মন (২০)। তারা পূর্বে দায়ের করা দুইটি পৃথক অভিযোগের এজাহারভুক্ত আসামি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ও ২৯ মে কাজিয়াতল গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও মোটরসাইকেল চালানোকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দফায় দফায় হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একই আসামিদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় পৃথক দুইটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরদিনও একই পরিবারের সদস্যদের ওপর পুনরায় হামলার অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাতে দুই সহোদর জহির ও সায়মনকে আটক করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার একটি সূত্র জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে অভিযুক্তদের আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা হামলার ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
জেলা পরিষদের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন
জনগণকে খেজুরের অঙ্ক শিখানো সেই হাসনাতের পেটে ১০ কোটি টাকার হিসাব কেন আড়ালে?
৩৯ বক্স খেজুরের ‘অঙ্ক ক্লাস’ বনাম ১০ কোটির বৈষম্য: হাসনাতের স্বচ্ছতার আসল রূপ নিয়ে প্রশ্ন
৩৯ বক্স খেজুরের হিসাব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে দিয়ে যারা নিজেদের স্বচ্ছতার ‘সস্তা বাহবা’ কুড়াতে চেয়েছিলেন, ক্ষমতার আবর্তে তাদেরই আসল রূপ এখন প্রকাশ্য। জেলা পরিষদ, ত্রাণ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে না জানিয়ে কোটি কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের নেপথ্য কাহিনি এবার চলে এসেছে জনসমক্ষে।
একদিকে নির্বাচনের মাঠে ভোটারদের মন জয়ের জন্য ‘সরকার থেকে কোনো ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেবেন না’ বলে ঘোষণা দেওয়া, অন্যদিকে গোপনে সংসদ থেকে সরাসরি রাজস্বখাতের বিলাসবহুল গাড়ি দাবি করার মতো দ্বিমুখী নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক এই মুখ।
শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন।
খেজুরের সস্তা বাহবা বনাম ১০ কোটির বড় কোটা
রাজনৈতিক মহলে ও সাধারণ মানুষের মাঝে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যে হাসনাত আবদুল্লাহ ৩৯ বক্স খেজুরের হিসাব দিয়ে ফেসবুকে ‘খেজুরের অঙ্ক ক্লাস’ নিয়েছিলেন, তিনি জেলা পরিষদের কোটি কোটি টাকার হিসাব কেন আড়াল করলেন?
জেলা পরিষদের হিসাব বিভাগের সূত্র নিশ্চিত করেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশেষ বরাদ্দের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে গেছে মুরাদনগর ও দেবীদ্বার উপজেলায়। যার মধ্যে দেবীদ্বার আসন থেকে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ একাই বাগিয়ে নিয়েছেন ১০ কোটি টাকা। অথচ এই বিশাল বরাদ্দের বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট সচিবের কোনো প্রকাশ্য হিসাব জনসমক্ষে আসেনি।
বক্তব্যের বিষয়ে পরবর্তীতে জানতে চাওয়া হলে জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি বলছি না ওই টাকা তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন। তাঁরা দুজনেই নিজেদের উপজেলায় বিশেষ বরাদ্দ বা উন্নয়ন বরাদ্দের নামে বিপুল পরিমাণ ওই টাকা নিয়ে অন্যান্য উপজেলাগুলোকে মারাত্মকভাবে বঞ্চিত করেছেন। কারণ তাঁরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছিলেন, অথচ তাঁরাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে বাকি উপজেলাগুলোর সঙ্গে তীব্র বৈষম্য করলেন।”
তীব্র বৈষম্যের শিকার কুমিল্লার ১৫ উপজেলা
জেলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে কেবল মুরাদনগর (আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি) এবং দেবীদ্বার (হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি) উপজেলাতেই সিংহভাগ টাকা চলে যায়। এর বাইরে নামমাত্র ১ কোটি টাকার মতো বরাদ্দ পেয়েছিল চৌদ্দগ্রাম উপজেলা। বাকি ১৪টি উপজেলা এই অর্থবছরে বলতে গেলে কোনো বরাদ্দই পায়নি। ‘বৈষম্যহীন’ রাজনীতির বুলি আউড়ে এসে এমন চরম আঞ্চলিক বৈষম্য তৈরি করায় জেলা জুড়ে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মুখে ট্যাক্স ফ্রি গাড়ির ত্যাগ, নেপথ্যে রাজস্বের গাড়ির আবদার
হাসনাত আবদুল্লাহর এই দ্বিমুখী আচরণ কেবল বরাদ্দের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি ও তার পরিবার সরকারের কোনো ‘ট্যাক্স ফ্রি’ গাড়ি সুবিধা গ্রহণ করবেন না বলে জনসভায় আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছিলেন। অথচ দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই পর্দার আড়ালে সরকার থেকে সরাসরি রাজস্বখাতের ব্যয়বহুল গাড়ি বরাদ্দ চেয়ে সংসদে জোর দাবি জানিয়েছেন, যা তার কথার ও কাজের বৈষম্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক মিয়া আরও বলেন, “আজ বাংলাদেশ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান আজ দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং ধ্বংস হওয়া অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের জন্য দিনরাত কাজ করছেন। কিন্তু যারা সমন্বয়ের রাজনীতির কথা বলে বৈষম্য তৈরি করেছে, তাদের জবাব জনগণকে দিতে হবে।”
মাত্র ৩৯ বক্স খেজুরের হিসাব দিয়ে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দের বৈষম্য আড়াল করার এই চতুর রাজনীতিকে এখন স্থানীয় ভোটাররা দেখছেন ‘জনগণের সাথে প্রতারণা’ হিসেবে। দেবীদ্বারের সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, সস্তা বাহবা পাওয়ার এই নাটক আর কতদিন চলবে?
পরিচ্ছন্নতায় তরুণদের অনন্য উদ্যোগ
দেবীদ্বারে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, প্রশংসায় ভাসছে ‘আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব’
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সামাজিক সংগঠন ‘আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব’। সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবকরা ঈদের দিন সকাল থেকেই দেবীদ্বার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাপানগর, সাইলচর ও বিজলীপাঞ্জার গ্রামে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এ উদ্যোগ। কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, কোরবানির পর পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না করলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এসব স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণ রোধে তারা টানা তিন দিনব্যাপী বর্জ্য অপসারণ, জীবাণুনাশক ছিটানো এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তারা আরও জানান, কোরবানির পরপরই নির্ধারিত স্থান থেকে পশুর বর্জ্য সংগ্রহ করে সেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে অপসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি রক্তমাখা মাটিতে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট গর্তে মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়দের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মতে, তরুণদের এই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের ফলে এবার গ্রামগুলোতে ঈদ-পরবর্তী সময়ের চিরচেনা দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়নি। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
চাঁপানগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন হাজারী বলেন, “সাধারণত গ্রামের মানুষ দায়সারাভাবে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেন, ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে যায়। কিন্তু ‘আমার গ্রাম আমার দায়িত্ব’ সংগঠনের সদস্যরা গত তিন দিন ধরে যেভাবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বর্জ্য অপসারণ করেছে, তাতে রোগজীবাণুর বিস্তারের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমেছে।”
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাংবাদিক এ আর আহমেদ হোসাইন বলেন, “ঈদুল আজহার সময় কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যত্রতত্র পড়ে থাকলে পরিবেশ দূষিত হয় এবং দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এ সমস্যা সমাধান এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতেই আমরা ঈদের দিন সকাল থেকে মাঠে কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের গ্রাম, আমাদের ওয়ার্ড ও আমাদের শহর পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার আগে আমাদের নিজেদের। পবিত্র কোরবানির পর পশুর বর্জ্য যেন কোনোভাবেই মশা-মাছির উপদ্রব, দুর্গন্ধ বা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ না হয়, সে লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ।”
সংগঠনটির এমন জনকল্যাণমুখী ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।














