1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
  4. wpra.source.author.site.1@www.dainikajkerkotha.com : Source Author :
চিঠি পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে—তবুও অপেক্ষায় সাদিয়া, “ভাইয়া, একবার দেখা করবেন?” | দৈনিক আজকের কথা  
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
“বিয়ে না করলে মরব”—প্রেমিকের বাড়িতে বসে কান্নায় ভেঙে পড়া নার্স, কোটালীপাড়ায় তোলপাড়! ‘কারফিউ নেই’ ঘোষণাতেই শেখ হাসিনার পতনের কাউন্টডাউন শুরু! নিঃশব্দে বিদায় নিলেন আলোর প্রদীপ—মাওলানা গোলাম রব্বানী আর নেই, শোকে স্তব্ধ পলাশবাড়ী উড়োজাহাজ নামেনা, তবু কোটি টাকার আয়—নীরব কুমিল্লা বিমানবন্দরেই আটকে সম্ভাবনার আর্তনাদ! ’৭৪-’৭৫ এর ছাত্রলীগ সভাপতি, এখন বিএনপির এমপি—মনিরুল হকের বহুরূপী রাজনীতি কীভাবে হাসিনাকে ‘বন্দি’ করে পতন ত্বরান্বিত করেছিলেন শীর্ষ সেনাকর্মকর্তারা পিরোজপুরে ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে লোমহর্ষক নির্যাতনের অভিযোগ ১ লাখ ৩৫ হাজার টন তেল নিয়ে চট্টগ্রামে এলো চার জাহাজ ১৮ বছর পূর্তিতে নেতৃত্বে পরিবর্তন—আবারও সম্পাদক কিশোর চন্দ্র বালা মুরাদনগরে অনন্য দৃষ্টান্ত—অসুস্থ বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে ন্যাড়া ১০ বন্ধু

চিঠি পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে—তবুও অপেক্ষায় সাদিয়া, “ভাইয়া, একবার দেখা করবেন?”

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী
  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

ডাক বিভাগের ট্র্যাকিং অনুযায়ী ১৩ এপ্রিল চিঠি পৌঁছালেও এখনো কোনো সাড়া মেলেনি; অনিশ্চয়তায় থমকে আছে এক শিশুর ভবিষ্যৎ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার “অপরাধে” বাড়িছাড়া হওয়া ১১ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম সাবার জীবন আজ কঠিন অনিশ্চয়তার মুখে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সাদিয়ার পাঠানো চিঠিটি ডাক বিভাগের ট্র্যাকিং (আইটেম আইডি: DG829972446BD) অনুসারে গত ১৩ এপ্রিল সকাল ১১টা ৪ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছেছে। তবে চিঠি পৌঁছালেও এখনো কোনো ধরনের সাড়া পায়নি পরিবারটি।

২০২০ সালে কুমিল্লার মুরাদনগরে স্থানীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় জীবননাশের হুমকির মুখে পড়ে সাদিয়ার পরিবার। একপর্যায়ে রাতের আঁধারে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় তারা। বর্তমানে শনির আখড়ার একটি জরাজীর্ণ ঘরে অসুস্থ মাকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে পরিবারটি।

সাদিয়া বর্তমানে ধানিয়া এ.কে হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। কিন্তু চরম আর্থিক সংকটে তার পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্কুলের বেতন মওকুফের জন্য বারবার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান পায়নি পরিবার।

নিরুপায় হয়ে সাদিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে আকুতি জানায়—
“আমি শুধু একবার আপনার সাথে কথা বলতে চাই, ভাইয়া। আমাদের কষ্টের কথা বলতে চাই। আমাদের বাঁচার একটা সুযোগ দিন।”

তার এই হৃদয়স্পর্শী আবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলেও বাস্তব জীবনে এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি।

সাদিয়ার ছোট বোন সাবিহা ইসলাম (৭) একটি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের নার্সারির শিক্ষার্থী। তাদের বাবা হাফেজ শুয়াইবুল হুছাইন মুন্সী এবং মা ফাহিমা বেগম। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে।

বর্তমানে পরীক্ষার ফি ও বেতন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারটির। অনিশ্চয়তা আর হতাশার মধ্যে অপেক্ষা করছে সাদিয়া—কখন মিলবে একটি সাড়া, একটি সুযোগ, একটি নতুন শুরু।

এখন প্রশ্ন—প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছানো এই আর্তনাদ কি আদৌ কোনো দরজা খুলবে, নাকি হারিয়ে যাবে নীরবতার অন্ধকারেই?

 

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা