মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনীতে উমালোচনে ফিরে দেখা শৈশব-কৈশোর

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫, ৯:০৬ পিএম
হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনীতে উমালোচনে ফিরে দেখা শৈশব-কৈশোর
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী—এই অনুভব নিয়েই বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো। স্মৃতির টানে শত ব্যস্ততা পেরিয়ে তারা ফিরে এলেন সেই প্রিয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে, যেখানে লেখা হয়েছিল তাদের জীবনের শুরু অধ্যায়। শনিবার, ১৪ জুন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে এ পুনর্মিলনী উদযাপন করা হয়।

বিদ্যালয়ের ৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের তত্বাবধানে এবং প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান সেলিম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাহানুর আলম খান ও ৯০ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো: মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীকাইল সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার।

সকালে শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক শিক্ষক স্বপন চন্দ্র লোদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অনেকেই, যারা এই বিদ্যালয়ের গর্ব এবং ইতিহাসের অংশ—প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আ: রহমান ভুইয়া, অধ্যক্ষ মো: খলিল আখন্দ, প্রধান শিক্ষক এম এ মতিন সরকার, সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার আবদুল কাইয়ূম, এডহক কমিটির সভাপতি মাওলানা সফিকুল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ।

“হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী”
“হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী” সত্যিই একটি উজ্জীবিত এবং আবেগমাখা উদযাপন। দীর্ঘ দিনের ব্যবধান পেরিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আবার একত্রিত হয়ে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে স্মৃতির ভেলা ভাসিয়েছে। বন্ধুত্বের বন্ধন নতুন মাত্রা পেয়েছে, সবার মুখে হাসি ফোটেছে। মঞ্চে গান, কবিতা, নাট্য পরিবেশনায় ঘটে প্রত্যেকের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া মুহূর্ত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলা আমাদের অতীত ও বর্তমানকে আরও মজবুত করবে বলে বিশ্বাস করি। ছবি: মামুনুর রশীদ।

দিনভর এই হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী যেন এক আবেগঘন স্মৃতির পুনর্জন্ম। পুরোনো বন্ধুদের হাসি, আলাপ, ছবি তোলা আর স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। সাংস্কৃতিক পর্বে গান, কবিতা, নাটক ছিল মনকাড়া। মো: শাহ আলম চৌধুরীর উপস্থাপনায় “নতুন ডকুমেন্টারী” নতুন প্রজন্মের মাঝে বিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরে।

সঞ্চালক মিজানুর রহমান সরকার দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা গ্রহণ করেন। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন আলহাজ্ব আনিসুর রহমান খান, আবু কাউছার মিয়াসহ আরও অনেকে।

হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী উপলক্ষে বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে ছিল হাসিমুখ, ভালোবাসা, আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরার মুহূর্ত। মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সুনিপুণ ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী এই মিলনমেলা পরিণত হয় এক অপূর্ব স্মৃতিময়তায়। অনুষ্ঠান শেষে বিদায় বেলায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রতিজ্ঞা করেন—এই বন্ধন কখনো ছিন্ন হবে না।

“হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী” সত্যিই একটি উজ্জীবিত এবং আবেগমাখা উদযাপন। দীর্ঘ দিনের ব্যবধান পেরিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আবার একত্রিত হয়ে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে স্মৃতির ভেলা ভাসিয়েছে। বন্ধুত্বের বন্ধন নতুন মাত্রা পেয়েছে, সবার মুখে হাসি ফোটেছে। মঞ্চে গান, কবিতা, নাট্য পরিবেশনায় ঘটে প্রত্যেকের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া মুহূর্ত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলা আমাদের অতীত ও বর্তমানকে আরও মজবুত করবে বলে বিশ্বাস করি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

উন্নয়ন ও নতুন বিভাগ চালুর তাগিদ

কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে সংস্কৃতি মন্ত্রী

মো. মুশফিকুর রহমান তুহিন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:২০ এএম
কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে সংস্কৃতি মন্ত্রী

কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী জাতীয় অনুষ্ঠান পালনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

তিনি ১১ মে ২০২৬ তারিখ সোমবার ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে অভ্যর্থনা জানান।

পরে উপাচার্যের অফিস কক্ষ সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে মন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, একাডেমিক কার্যক্রম এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিষয়ে অবহিত করা হয়।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক এবং বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা। তিনি বিভিন্ন সাহিত্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে এবং নতুন বিভাগ বিশেষ করে ভাষা শিক্ষা ইনস্টিটিউট চালুর প্রয়োজন রয়েছে, যাতে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখানে পড়তে আসে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ত্রিশালে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও পর্যটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, ত্রিশালে ৫ দিনব্যাপী নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে, যা এ অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আয়োজন হবে।

তিনি জানান, এই অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা অংশ নেবেন এবং এটি একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হবে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সংস্কৃতি মন্ত্রী ময়মনসিংহে নজরুল জন্মজয়ন্তী জাতীয় অনুষ্ঠান সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।


📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

জাপান-বাংলাদেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২:৪৫ এএম
জাপান-বাংলাদেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ মে বাংলাদেশ সফররত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন পলিসি ব্যুরোর অধীন সিকিউরিটি কোঅপারেশন ডিভিশনের পরিচালক ইনোউয়ে শুউনিচিও উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে যোগাযোগ বৃদ্ধি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ: বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক, জাপান রাষ্ট্রদূত, নিরাপত্তা সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা আলোচনা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানকে চ্যালেঞ্জ

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

“রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ” — আরাফাত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, তারেক রহমান দাবি করেছেন যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঋণ নিয়ে এবং চার গুণ বেশি ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা তিনি দেননি বলেও মন্তব্য করেন আরাফাত।

তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রূপপুর প্রকল্প প্রতিযোগিতামূলক খরচেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগকে তিনি “অপপ্রচার” বলে অভিহিত করেন।

ফেসবুক পোস্টে আরাফাত আরও লেখেন, “চার ভাগের এক ভাগ দামে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে দেখান, তারপর এসব কথা বলবেন।”

ঋণের বোঝা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাবে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জনগণই এর সুফল ভোগ করবে। একই সঙ্গে জনগণের টাকাতেই ঋণ পরিশোধ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত দাবি করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী প্রায় ৬০ বছর দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ স্বল্পমূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ইউনিট খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বহুমুখীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প।

পোস্টের শেষাংশে তিনি মন্তব্য করেন, “এটি বোঝার জন্য ন্যূনতম জ্ঞান, সততা ও সক্ষমতা প্রয়োজন।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×