

আসিফ মাহমুদ ও তার বাবার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ মুরাদনগরবাসী। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার, দম্ভ এবং দলীয় বলয়ের অপশক্তি দ্বারা এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভ তৈরি করেছে। এরই জেরে বুধবার (৩০ জুলাই) এনসিপি সমর্থকদের ডাকা সমাবেশে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। হামলা-পাল্টা হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ১২ জন।
বিকেলে মুরাদনগর চত্বরে পূর্বঘোষিত এনসিপি সমাবেশ শুরু হতেই পাশের জেলা পরিষদের মার্কেট থেকে ছোড়া হয় ইট-পাটকেল। এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।
ঘটনায় আহত ইউপি সদস্য শেখর জানান, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আল্লাহ চত্বরে সমাবেশ শুরু করতেই হঠাৎ আমাদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এতে আমার মাথা ফেটে যায়।”
অন্যদিকে, নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মিনাজুল হক বলেন, “বিএনপির কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, বাপ ছেলের বেসামাল কর্মকাণ্ডে এলাকায় ক্রমাগত উত্তেজনার সৃষ্টি করছে। বিক্ষোভের নামে তারা সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
মুরাদনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিন কাদের খান জানান, “এনসিপির একটি বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালীন হঠাৎ ইটপাটকেল ছোড়া শুরু হয়। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শেষমেশ, সাধারণ মানুষের বক্তব্যে স্পষ্ট—
বাপ ছেলের কর্মকাণ্ডে মুরাদনগরের জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এখনই লাগাম টানা না গেলে অশান্তি আরও বাড়বে।”