বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

চ্যাথাম হাউসের মঞ্চে বিতর্কিত ‘ড. ইউনুস সরকার’

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ জুন, ২০২৫, ১২:১১ এএম
চ্যাথাম হাউসের মঞ্চে বিতর্কিত ‘ড. ইউনুস সরকার’
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ড. ইউনুস সরকার এখন শুধু একটি নাম নয়—একটি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে দেওয়া বক্তৃতা এবং এর আয়োজনে উপস্থিত সমর্থকদের ভূমিকা ঘিরে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সাংবাদিক ও বিশ্লেষকদের একাংশ বলছে, এটি ছিল “পূর্বপরিকল্পিত প্রচারণা”, যা আন্তর্জাতিক মহলে বিকৃত বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারে।


🔹 ড. ইউনুস সরকার নিয়ে সাংবাদিক জুলকারনাইনের স্ট্যাটাস: ‘তারাই সহযাত্রী, তারাই শ্রোতা’

বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান (সামি) তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তীব্র ভাষায় এই ঘটনাকে ব্যঙ্গ করেন। তিনি বলেন,

কী হাইস্যকর একটা অবস্থা, তারাই সহযাত্রী, আবার তারাই শ্রোতা। শেখ হাসিনাও এমন করত, নিজের লোকদের প্লেনে করে এনে সভা বসাত, প্রশ্নও তারাই করত।”

তার মতে, এ ধরনের প্রহসন মূলত দেশের প্রকৃত রাজনৈতিক বাস্তবতাকে আড়াল করার কৌশল মাত্র।


🔹 কে এই ‘ড. ইউনুস সরকার’?

বাংলাদেশের বর্তমান সরকারবিরোধী কয়েকটি মহল ও প্রবাসী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই ড. ইউনুসকে ‘ছায়া প্রধানমন্ত্রী’ বানিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। যদিও এটি বাংলাদেশের সংবিধানে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং গণতন্ত্রের প্রতি অসম্মানজনক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা। এই সরকার কখনো কোনো নির্বাচিত ম্যান্ডেট পায়নি, বরং নিছক একটি প্রপাগান্ডা প্ল্যাটফর্ম বলেই অনেকের দাবি।


🔹 চ্যাথাম হাউসে বক্তৃতা: বাস্তব নাকি বর্ণনা?

চ্যাথাম হাউসের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে ড. ইউনুস যখন বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলেন, তখন অনেকেই ধরে নেন—এটি কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি করছেন। অথচ বক্তৃতার ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, শ্রোতাদের মধ্যে ছিলেন তাঁরই ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—এটি কি মুক্ত আলোচনা, না সাজানো অনুষ্ঠান?


🔹 অবৈধ ঘোষণার দাবি

বিশ্লেষকদের একাংশ বলছে, এই তথাকথিত সরকার যদি রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে চায়, তবে তাদের উচিত ছিল গণতান্ত্রিকভাবে জনগণের রায় নেওয়া। তা না করে বিদেশি মঞ্চে বক্তৃতা দিয়ে সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেওয়া, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর প্রশ্ন তোলে।


🔹 উপসংহার

ড. ইউনুস সরকার এখনো কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি পায়নি, বরং এটি জনগণকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশলী প্রচারণা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। চ্যাথাম হাউস বক্তৃতা, সাংবাদিকদের তির্যক মন্তব্য এবং জনগণের মধ্যে দানা বাঁধা অনাস্থা—সব মিলিয়ে এই ছায়া সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।


📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

কর্মদক্ষতায় বদলাচ্ছে প্রশাসনিক চিত্র

বাহুবলে জনসেবায় প্রশংসিত ইউএনও উজ্জ্বল রায়

নাজমুল ইসলাম হৃদয়, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:২৬ পিএম
বাহুবলে জনসেবায় প্রশংসিত ইউএনও উজ্জ্বল রায়

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার প্রশাসনে মানবিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার নজির স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও উজ্জ্বল রায়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, দ্রুত সেবা নিশ্চিতকরণ ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলন, মাটি কাটা, মাদক কারবার, অবৈধ ইটভাটা ও যানজট নিরসনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন তিনি। এছাড়া খাল উদ্ধার ও পরিবেশ রক্ষায়ও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায়, প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ান ইউএনও উজ্জ্বল রায়। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তাও করছেন তিনি।

সেবা নিতে আসা কয়েকজন জানান, ইউএনও উজ্জ্বল রায় আচরণে ভদ্র, সৎ ও দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা। সাধারণ মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।

ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া বলেন, “একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এতটা জনবান্ধব হতে পারেন, তা উজ্জ্বল রায়কে না দেখলে বোঝা যেত না।”

এ বিষয়ে ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মানবিক ও দায়িত্বশীল প্রশাসনের মাধ্যমে বাহুবলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ

কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৫৭ পিএম
কুমিল্লায় ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু

কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রহস্যজজনক মৃত্যু নিয়ে এ  ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত জান্নাতুন নাঈম ফারিহা (২৩) নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামের স্কুলশিক্ষক হানিফ মিয়ার মেয়ে। তিনি কোটবাড়ী এলাকার সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর ‘কাশেম গার্ডেন’ ভবনের একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই ফারিহার দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা-এর ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ফসল ও পরিবেশ হুমকিতে

দেবীদ্বারে খালের ওপর মক্তব-টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:২৭ পিএম
দেবীদ্বারে খালের ওপর মক্তব-টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৪ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের নারায়নপুর খালের ওপর মক্তব, টয়লেট, সেফটি ট্যাংকি ও বর্জ্যের ভাগাড় নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে খালটির নাব্যতা নষ্ট হয়ে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি শত শত একর কৃষিজমির ফসল ও মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়াহেদপুর করিম সরকার বাড়ি জামে মসজিদের পাশের গুরুত্বপূর্ণ নারায়নপুর খালের ওপর ফাউন্ডেশন দিয়ে মক্তব ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মসজিদ ও আশপাশের বাড়ির টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি এবং বর্জ্য ফেলার স্থান গড়ে তোলায় খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

এ ঘটনায় খালের ওপর থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়নপুর-আব্দুল্লাহপুর এলাকার গোমতী নদীর স্লুইসগেট সংলগ্ন মরা নদীর অংশ থেকে উৎপত্তি হওয়া এ খালটি বুড়ি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ ফুট প্রশস্ত এ খাল নারায়নপুর, আব্দুল্লাহপুর, ওয়াহেদপুর, জীবনপুর, কাবিলপুর, রামনগর, শিবনগর ও গুঞ্জর গ্রামের কয়েকশ একর কৃষিজমি ও মাছ আহরণের অন্যতম প্রধান সংযোগপথ।

নারায়নপুর গ্রামের কৃষক আয়ুব সরকার বলেন, “খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণের কারণে পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে। এতে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।”

আরেক কৃষক শাহজাহান সরকার বলেন, “সরকার যখন খাল রক্ষা ও খননের উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন একটি মহল খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণ করছে। টয়লেটের বর্জ্যে খালের পানি দূষিত হচ্ছে। দ্রুত এসব অপসারণ করা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে ওয়াহেদপুর করিম সরকার বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী সাহেব আলী বলেন, “মসজিদ ও মক্তবের উন্নয়নের জন্য প্রবাসীরা অর্থ পাঠান। আমি সবার সঙ্গে থেকে দায়িত্ব পালন করছি। তবে বিষয়টি নিয়ে এখন জটিলতা তৈরি হয়েছে।”

মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ মো. হাবিব উল্লাহ দাবি করেন, মক্তব ভবনের নিচে পিলার দিয়ে পানিপ্রবাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণেও অভিযোগ উঠতে পারে।”

দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফয়সাল উদ্দিন বলেন, খালের ওপর স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম খান বলেন, “সেফটি ট্যাংকি নির্মাণের অভিযোগ পেয়েছি। খালের ওপর মক্তব নির্মাণের বিষয়টিও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×