ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন—নির্বাচন নিয়ে নব্য রাজাকারের জ্ঞান
ভুয়া ব্যারিস্টার, রাজাকারের সন্তান আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আবার প্রলাপ বকলো—ড. ইউনূস নাকি নির্বাচন একতরফা হলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন!
ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন, জামায়াত-চরমোনাই বাদ গেলে নির্বাচনই ভেস্তে যাবে—ফুয়াদের কল্পকাহিনি
ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন—এই বুদ্ধিদীপ্ত (!) পূর্বাভাস দিয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির তথাকথিত সাধারণ সম্পাদক, ভুয়া ডিগ্রিধারী, রাজাকারের কুলাঙ্গার সন্তান আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
সম্প্রতি এক টিভি টকশোতে এসে তিনি এমনসব তত্ত্ব দিলেন, যেটা শুনে দর্শকও কনফিউজড, উপস্থাপকও স্তব্ধ। ফুয়াদের দাবি—জামায়াত আর এনসিপি যদি ভোটে না আসে, তাহলে নির্বাচন হবে একতরফা। আর সে সুযোগে ড. ইউনূস নাকি ‘উচ্চমার্গীয় হতাশায়’ দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন।

ফুয়াদ আরও বলেন, “বিএনপি নাকি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সব আসনে প্রার্থী দিতে পারছে না।” শুনে মনে হয় উনি হয় সময় জানেন না, না হয় ইতিহাস। এরপর শুরু হয় জুলাই সনদ, পিআর, সংসদ—নানা জগাখিচুড়ি বুলি।
সবচেয়ে মজার জায়গা: জামায়াত আর চরমোনাইকে বানিয়ে দিলেন ‘বিএনপির পরে সবচেয়ে বড় দল’। এনসিপিকে বানালেন গণতন্ত্রের ত্রাতা। আর নিজেকে বানালেন দেশের সর্বোচ্চ নির্বাচন বিশ্লেষক।
সবশেষে এই রাজাকারের পোলা বলেন, “ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন।” এমন ভাব, যেন উনি ইউনূস সাহেবের পার্সোনাল অ্যাডভাইজার!
উল্লেখ্য, এই ব্যারিস্টার ফুয়াদের ‘ব্যারিস্টারি’ নিয়েই রয়েছে বিস্তর বিতর্ক। দেশে-বিদেশে কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই, অথচ নামের আগে ব্যারিস্টার সেঁটে দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। রাজনৈতিক পরিচয়? জামায়াতপন্থী গন্ধমাখা ‘বিকল্প রাজাকার’ ঘরানার একজন মুখপাত্র।
সোজা কথা, ভুয়া ডিগ্রি, বিকৃত ইতিহাস আর জামায়াত তোষণ—এই তিনে ভর করেই আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এখন গুজবের নবনেতা।
ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়তে পারেন—এই কথাটা উনি বলার আগে মাথায় টোকা দিলেই ভালো হতো। গুজব ছড়ানো আর রাজাকারের উত্তরসূরিদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি, একে বলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সার্কাস।




















