বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

পরিবারের আশঙ্কা অপহরণ

ফোন বন্ধ, ফেসবুক ডিঅ্যাকটিভ, কোথায় কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির নেতা কুমিল্লার জিসান?

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ পিএম
কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির নেতা জিসান প্রধান নিখোঁজ

মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরই উধাও ছাত্রশিবির নেতা জিসান প্রধান। ছবি : আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

নিখোঁজ জিসান প্রধানের বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহাম্মেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে জিসানের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। তবে এশার নামাজের পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টও নিষ্ক্রিয় (ডিঅ্যাকটিভ) করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “রাত ৮টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত জিসানের হোয়াটসঅ্যাপে কার্যক্রম দেখা গেছে। এরপর থেকে তার সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা চরম উদ্বেগে রয়েছি। আমাদের আশঙ্কা, তাকে অপহরণ করা হয়ে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।”

এদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন দাউদকান্দি উপজেলা যুববিভাগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান আরিফ জানান, জিসান বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে দাউদকান্দিতে আসেন এবং মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায় করেন।

পরে তার উপজেলার বিরবাগগোয়ালী গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি আর বাড়ি পৌঁছাননি।
তিনি বলেন, “জিসানের সন্ধান না পাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত তাকে খুঁজে বের করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার তদন্ত পরিদর্শক মো. সামছুল আলম প্রধান বলেন, “নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

জিসান প্রধানের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবার, সহকর্মী ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তার দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

5 1 vote
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ

একদিন অনুপস্থিতি, জরিমানা ২০ টাকা: দনিয়ার এ.কে স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘ফি বাণিজ্যের’ অভিযোগ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৫:২৩ এএম
একদিন অনুপস্থিতি, জরিমানা ২০ টাকা: দনিয়ার এ.কে স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘ফি বাণিজ্যের’ অভিযোগ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ.কে স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায় ও নানা অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে ২০ টাকা জরিমানা আদায়ের নির্দেশনা জারি করায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নোটিশে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনের নির্দেশক্রমে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে, “আগামীকাল থেকে একদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য ২০ টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মেসেজ দেওয়া হবে।”

নোটিশটি প্রকাশ্যে আসার পর অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত রাখার দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হলেও তা নিশ্চিত করতে আর্থিক জরিমানাকে কেন মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়া হলো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতিবছর ভর্তি ফি, সেশন ফি, মাসিক বেতনসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমের নামে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

একজন অভিভাবক বলেন, “কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থতা, পারিবারিক সমস্যা কিংবা অন্য কোনো কারণে একদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে তাকে জরিমানা করা অমানবিক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে, শাস্তিমূলক অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ভয় দেখাবে না।”

অভিভাবকদের অভিযোগ, পুরোনো শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও বিভিন্ন নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে রসিদবিহীন অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও রয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে ইতিবাচক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, কাউন্সেলিং এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। জরিমানা বা আর্থিক চাপ প্রয়োগ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিভাবকরা অভিযোগগুলোর তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি জরুরি।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে এ.কে স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জন্মসাল নিয়ে প্রশ্ন

বাবা শহীদ ’৭১-এ, ছেলের জন্ম ’৮১-তে; এমপি মুনতাকিমের বক্তব্য ঘিরে তোলপাড়

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৩ এএম
বাবা শহীদ ’৭১-এ, ছেলের জন্ম ’৮১-তে; এমপি মুনতাকিমের বক্তব্য ঘিরে তোলপাড়

জাতীয় সংসদে নিজের পরিবারের মুক্তিযুদ্ধের অবদান তুলে ধরে দেওয়া বক্তব্যের পর নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিমকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদে তিনি দাবি করেন, তার বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। তবে তার প্রকাশিত জন্মসালের তথ্য সামনে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এমপি আব্দুল মুনতাকিম বলেন, “আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা (বাবা-চাচারা) সাত ভাই, তাদের মধ্যে চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, তাদের মধ্যে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে মোট ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।”

সংসদে দেওয়া এই বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

এদিকে, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং বিভিন্ন উন্মুক্ত তথ্যসূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। সে হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রায় এক দশক পর তার জন্ম হয়েছে।

এ তথ্য সামনে এনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যদি তার বাবা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে ১৯৮১ সালে তার জন্ম কীভাবে সম্ভব হলো?

বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ কেউ সংসদে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছেন, আবার কেউ বক্তব্যে তথ্যগত বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন।

তবে এ বিষয়ে এমপি আব্দুল মুনতাকিমের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্যের প্রকৃত অর্থ কী ছিল বা তিনি পরিবারের কোন সদস্যকে উল্লেখ করে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেওয়া বক্তব্যের ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ এ ধরনের বক্তব্য দ্রুত জনপরিসরে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে এবং জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অনেকে এমপির কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করছেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

আদালতের নির্দেশে জেলহাজত

রুবেল হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, কারাগারে আ.লীগ নেতা খোকন

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
রুবেল হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, কারাগারে আ.লীগ নেতা খোকন

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবদুর রাজ্জাক রুবেল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. মিজানুর রহমান খোকন (৫২) আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) কুমিল্লার ৪ নম্বর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়মা শরীফ নিশাতের আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মিজানুর রহমান খোকন দেবীদ্বার পৌরসভার ভূষণা গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি দেবীদ্বার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেবীদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবদুর রাজ্জাক রুবেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা হোসনেয়ারা বেগম এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কাশেম পৃথকভাবে কুমিল্লার আদালতে দুটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাগুলোতে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সাবেক এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদসহ ১২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মো. মিজানুর রহমান খোকন রুবেল হত্যা মামলার ৭১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “রুবেল হত্যা মামলার আসামি মিজানুর রহমান খোকনের আদালতে আত্মসমর্পণের বিষয়টি আমার জানা নেই। আদালতের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x