বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বাল্যবন্ধু আমির হোসেন: শুশুন্ডার সেই ওরশ থেকে জীবনের স্মৃতির মায়াজাল

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৭:১৭ পিএম
বাল্যবন্ধু আমির হোসেন: শুশুন্ডার সেই ওরশ থেকে জীবনের স্মৃতির মায়াজাল
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাল্যবন্ধু আমির হোসেন, ছোটবেলার দুষ্টুমি থেকে আজকের হৃদয়ের বন্ধুত্বের গল্প

বাল্যবন্ধু আমির হোসেন, আমার জীবনের এক বিশেষ অধ্যায়। ছোটবেলা থেকে শুরু করে আজও তার স্মৃতিতে হৃদয় ভরে ওঠে, যেন এক সোনালি দিনের গল্প যা ভুলবার নয়। আমরা একসাথে মাদ্রাসার মক্তবে পড়তাম, শৈশবের দুষ্টুমি, হাসি-আনন্দ আর একান্ত বন্ধুত্বের গল্প গড়ে উঠেছিলো সেই ছোট্ট গ্রাম বাংলার রাস্তায়।

আমিরের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক জীবনকালের একান্ত ভালোবাসার ছবি। তাকে আমরা মজা করে ডাকতাম ‘বুতুইল্লা’, যদিও কেন সেই ডাকনাম দিয়েছিলাম তা আজও মনে নেই। তবে ‘আমির’ নামটাই ছিল তার পরিচয়, আর সে পরিচয়েই আমাদের বন্ধুত্বের বুনিয়াদ। আমরা প্রতিদিন সকালে মাদ্রাসায় যেতাম, মক্তবে কোরআনের পাঠ করতাম, কিন্তু তার পাশেই ছিল দুষ্টুমি আর বন্ধুত্বের গাঢ় বন্ধন।

বাল্যবন্ধু আমির হোসেন
বাল্যবন্ধু আমির হোসেন তুমি ভালো থেকো, তুমি যেনো কখনো ভুলে না যাও আমাদের সেই দুষ্টুমি আর বন্ধুত্বের রাতগুলো। ছবি : সংগৃহিত।

আমির ছিল বুদ্ধিমান ও দুষ্টু ছেলে, কিন্তু কখনো খারাপ কাজে তাকে দেখিনি। সে একসময় আকিজ বিড়ি খেতো, প্রায় সময় আমায় বলত, “আয়, এক টুকরা আকিজ বিড়ি খাই, তারপর চল, আজকে শুশুন্ডার ওরশে যাবো। ওখানে গান-বাজনা, নাচ-গান আর খিচুরির মজা অন্যরকম।” আসলেই ওরশের খিচুরির স্বাদ ছিল অন্যরকম, আর আমিরের সঙ্গে সেই স্মৃতিগুলো আজও আমার হৃদয়ের কোনায় অমলিন।

একবার এমন এক রাত ছিল যখন আমাদের এলাকায় কোনো ওরশ ছিল না। রাত প্রায় ১০-১১টা, আমি, আমির, মিজান (যিনি এখন দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক), ইব্রাহিম, হারুন, আর ভাগিনা কাশেম মিলে ওরশের খোঁজে বের হয়েছিলাম। আমরা হেঁটে হেঁটে পায়ব পর্যন্ত গিয়েছিলাম, কিন্তু কোথাও কোনো গান-বাজনার শব্দ শোনা গেল না। আশেপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করলাম, কেউ জানে কি কোথাও ওরশ বা গান-বাজনা হচ্ছে কিনা? তখন এক মুরব্বী আমাদের গোমতীর পাশে একটি উচ্চ জায়গা দেখিয়ে বললেন, “ওই দিকে ওরশ চলছে, যাও।” আমরা তখন আকিজ বিড়ি হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম।

অনেকদূর গিয়ে দেখি, সত্যিই একটা বড় গানের আসর বসেছে। আমাদের বন্ধু এসাক সরকার গান গাইছিলেন। তাকে দেখে সে আনন্দে আত্মহারা হয়ে আয়োজকদের মাধ্যমে আমাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করালেন। আমরা সবাই বসে গান শুনলাম, নাচলাম, আর শেষে খিচুরি খেয়ে সকালে বাড়ি ফিরলাম। সেই রাতের স্মৃতি আজও আমার হৃদয়ের সবচেয়ে মধুর অধ্যায়।

আমিরের সঙ্গে কাটানো দিনগুলো আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্ত। আমি আজও ভাবি, আমার বাল্যবন্ধু আমির হোসেন আজ কোথায় আছেন, কেমন আছেন? শুনেছি, আমির অনেক বদলে গেছেন, অনেক ভালো আছেন—এই খবরটা পেয়ে আমার মন শান্তি পায়। আমিরের বড় বোন নাজমা বেগম নাজুও ছিল আমার স্কুলের ক্লাসমেট, যদিও আমির স্কুলে পড়েননি, তিনি শুধু মাদ্রাসার মক্তবে পড়েছেন। আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর সঙ্গে তার নাম অমোঘভাবে জড়িত।

আমার মনে হয়, বন্ধুত্ব এমনই এক সম্পর্ক যা সময়ের কাছে অসহায়। দিন পরিবর্তিত হয়, মানুষ বদলায়, কিন্তু ভালোবাসা আর স্মৃতি চিরদিন অমলিন থেকে যায়। আমির আমার শুধু বন্ধু নয়, বরং শৈশবের সেই নিরাপদ আশ্রয়, যেখান থেকে শুরু হয়েছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় অধ্যায়। আমি তার জন্য সবসময় শুভকামনা করি, সে যেন ভালো থাকে, সুখী থাকে—আর একদিন অবশ্যই তার জীবনের নতুন গল্পগুলোও শেয়ার করবো।

বাল্যবন্ধু আমির হোসেন তুমি ভালো থেকো, তুমি যেনো কখনো ভুলে না যাও আমাদের সেই দুষ্টুমি আর বন্ধুত্বের রাতগুলো।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

দৌলতপুরে কবির শ্বশুরালয় ঘিরে আয়োজনে সমালোচনা

মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

কুমিল্লার মুরাদনগরের দৌলতপুরে, যা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শ্বশুরবাড়ি হিসেবে পরিচিত, সেখানে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা ব্যানার ছাড়াই অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভা আগামী ২৫ মে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে সামনে রেখে আয়োজন করা হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনে কোনো ব্যানার বা দৃশ্যমান প্রস্তুতি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দৌলতপুর জাতীয় কবির জীবনের স্মৃতিবিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বিশেষ করে এটি কবির শ্বশুরালয় হওয়ায় এখানকার আয়োজন আরও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া উচিত ছিল।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে। অনেকেই এটিকে জাতীয় কবির প্রতি অবহেলা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল আশা করছে, ভবিষ্যতে দৌলতপুরে নজরুলকে ঘিরে আয়োজনগুলো আরও গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জমি বিরোধে কুপিয়ে হত্যা ব্যবসায়ীকে

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আনোয়ার হোসেন নয়ন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের দক্ষিণ বেতিয়ারা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ার হোসেন নয়ন উপজেলার গাংরা বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দক্ষিণ বেতিয়ারা গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে মসজিদের সামনে দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
নিহতের বোন কোহিনুর আক্তার জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভোরে তার মৃত্যু হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

গুলির উৎস অজানা, নিরাপত্তা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পার করল পুলিশ

খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবারও গুলি

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:১৭ এএম
খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবারও গুলি

খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত রাজু হাওলাদার (৩৮) লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং অন্তত চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার নগরীর লবণচরা থানার কোবা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় পেটে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি কীভাবে বা কখন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, রাজু কখন ও কোথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। রাতে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাওয়া যায় এবং তার পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। অ্যাম্বুলেন্সে গুলির বিষয়টি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছেন বলে জানান।

এদিকে কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, ঢাকায় নেওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে তারা জেনেছেন। পরে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের সহায়তা চাইলে তাদের পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে থানা এলাকা পার করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট থানা আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাতের নিস্তব্ধতায় হঠাৎ গুলির শব্দে অনেকে ঘর থেকে বের হয়ে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। তবে অন্ধকার ও ভীতিকর পরিবেশের কারণে কেউই স্পষ্টভাবে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পারেননি। এলাকাবাসীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি তাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সকল দিক বিবেচনায় নিয়ে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে, পূর্বের শত্রুতা, অপরাধ জগতের সম্পৃক্ততা কিংবা অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না—সেসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

এদিকে নিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়, যাতে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি এলাকা ত্যাগ করতে না পারে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ জন্য গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে চিকিৎসকদের মতে, গুলিবিদ্ধ রাজু হাওলাদারের অবস্থা শুরুতে আশঙ্কাজনক ছিল। খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি রোগীর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, পূর্ব শত্রুতা বা অপরাধ জগতের দ্বন্দ্বের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও পুলিশ এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি, তবুও বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি যেকোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×