রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা, ক্ষুব্ধ কুমিল্লাবাসী

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫, ১২:০১ পিএম
রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা, ক্ষুব্ধ কুমিল্লাবাসী

রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর নিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে তীব্র জনরোষ ও সমালোচনার ঝড়। ছবি সংগৃহিত।

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর নিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে তীব্র জনরোষ ও সমালোচনার ঝড়। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রূপকার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের স্মরণে নির্মিত ম্যুরালটি কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকাল থেকেই ভাঙা ম্যুরালের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে জেলা প্রশাসনের অধীনে কুমিল্লা নগরীর রাজবাড়ি এলাকায় কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরের বছর, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, শহীদ মিনার ও রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল উদ্বোধন করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল এবং রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বুলি ইসলাম। এই স্মৃতিচিহ্ন স্থাপন করেন রফিকুল ইসলামের পরিবার, যেখানে তাঁর পৈতৃক বাড়িও অবস্থিত।

 ম্যুরাল ভাঙচুর
রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর নিয়ে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে তীব্র জনরোষ ও সমালোচনার ঝড়। ছবি সংগৃহিত।

প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ নারগিছ আক্তার জানান, রফিকুল ইসলামের ভাগনে মেরাজ আহমেদ রাজ অর্থায়ন করে শহীদ মিনার ও ম্যুরাল স্থাপন করেন। তিনি বলেন, “আমরা এতদিন যত্ন সহকারে এ স্থাপনা রক্ষা করেছি। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা এখানে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।”

তবে ভাঙচুরের ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলছেন না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। কলেজ কর্তৃপক্ষেরও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফিউল আহমেদ বাবুল বলেন, “মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে রফিকুল ইসলামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁর ম্যুরাল ভেঙে ফেলা জাতির প্রতি অবমাননা।” তিনি দ্রুত ম্যুরালটি পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।

জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার সাংবাদিকদের বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে রফিকুল ইসলামের সম্মানে ম্যুরাল পুনঃস্থাপনসহ যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, রফিকুল ইসলাম জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি আনানকে চিঠি দিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন। তিনি ও তাঁর সহযোদ্ধা আবদুস সালাম ‘এ গ্রুপ অব মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে সংগঠন গঠন করে বিশ্বব্যাপী সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালান। এর ফলস্বরূপ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

এই ঐতিহাসিক অবদানের রূপকার রফিকুল ইসলামের ম্যুরাল ভাঙচুর শুধু একটি শিল্পকর্ম ধ্বংস নয়—এটি ইতিহাস, ভাষা এবং আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননার নামান্তর।

সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিল ৪ লাখ টাকার মালামাল

দেবীদ্বারে ভাড়াটিয়া সেজে চুরির অভিযোগ, আদালতে পাঠানো হলো অভিযুক্তকে

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম
দেবীদ্বারে ভাড়াটিয়া সেজে চুরির অভিযোগ, আদালতে পাঠানো হলো অভিযুক্তকে

ভাড়া নিয়ে বসবাস, সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নিল ৪ লাখ টাকার মালামাল

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমাবাদ গ্রামে ভাড়াটিয়া পরিচয়ে বাড়িতে অবস্থান করে মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগে কয়েক প্রজন্মের ব্যবহৃত কাঁসা, পিতল ও অ্যালুমিনিয়ামের মূল্যবান তৈজসপত্র চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তি হলেন উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের ছংছাইল গ্রামের গৌরাঙ্গ সূত্রধরের ছেলে দিলিপ সূত্রধর (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুর্গাপূজা উপলক্ষে দিলিপ সূত্রধরের সঙ্গে বেগমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রতন সাহার পরিচয় হয়। রতন সাহা মূলত কুমিল্লা শহরে বসবাস করলেও তার গ্রামের বাড়িটি অধিকাংশ সময় তালাবদ্ধ থাকে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তিনি সেখানে খুব কমই আসেন।

পরিচয়ের সূত্র ধরে দিলিপ সূত্রধর রতন সাহার কাছে নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া চান। তিনি জানান, জাফরগঞ্জ বাজারে কাঠের ব্যবসা পরিচালনার সুবিধার্থে ওই এলাকায় থাকার প্রয়োজন রয়েছে। বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ভাড়াও পাওয়া যাবে—এমন চিন্তা থেকে রতন সাহা তাকে একটি কক্ষ ভাড়া দেন।

কিন্তু সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এসে রতন সাহা দেখতে পান, তার ঘরে সংরক্ষিত কয়েক প্রজন্মের ব্যবহৃত পিতল, কাঁসা, অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী উধাও। তার দাবি, চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য চার লাখ টাকারও বেশি।

ঘটনার পর রতন সাহা বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় দিলিপ সূত্রধরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার (৩০ মে) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, “ভাড়াটিয়া পরিচয়ে বসবাস করে বাড়ির মালিকের অনুপস্থিতির সুযোগে পুরনো ঐতিহ্যবাহী কাঁসা ও পিতলের তৈজসপত্র চুরির অভিযোগে দিলিপ সূত্রধরকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মহাসড়কে হঠাৎ শক্তি প্রদর্শন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের বিশাল শোডাউন, চাঙ্গা তৃণমূল

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের বিশাল শোডাউন, চাঙ্গা তৃণমূল

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশের উপস্থিতিতেই ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমসার এলাকায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের আকস্মিক মিছিল ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল ৭টার দিকে অনুষ্ঠিত এ মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর থেকেই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে সকাল ৭টার দিকে নিমসার ও কোরপাই এলাকায় মিছিল বের করেন তারা। মিছিল চলাকালে বিভিন্ন স্লোগানও দেওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আয়োজকদের দাবি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এহেতাসামুল হাসান রুমির পৃষ্ঠপোষকতায় বুড়িচং উপজেলা যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দিন মিছিলের আয়োজন করেন।

যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দিন বলেন, “প্রায় এক হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজারের পশ্চিম পাশে শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

এদিকে মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসের মুন্সী বলেন, “আওয়ামী লীগ গোপনে মিছিল করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন এবং উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রশাসন কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি, সেটিও জানতে চাওয়া হবে।”

তবে পুলিশের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুর রহমান বলেন, “কোরপাই এলাকায় কিছু লোকজন জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই গাছ উপড়ে মহাসড়কে, কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই গাছ উপড়ে মহাসড়কে, কুমিল্লা-সিলেট সড়কে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

কোনো ধরনের ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ একটি বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঈদ-পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

রবিবার (৩১ মে) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে দেবীদ্বার থানার পশ্চিম পাশে মহাসড়কের ওপর গাছটি পড়ে গেলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবীদ্বার থানা মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে থাকা একটি বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ আকস্মিকভাবে সড়কের ওপর ভেঙে পড়ে। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চট্টগ্রামগামী একটি পণ্যবাহী লরির ওপর গাছের একটি অংশ পড়ে। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি এবং লরির চালক ও সহকারীরা অক্ষত থাকেন।

গাছটি পড়ে যাওয়ার ফলে দেবীদ্বার থানার পশ্চিম পাশের দেয়ালের একটি অংশ ধসে পড়ে। এছাড়া একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই মহাসড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পিকআপসহ শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। বিশেষ করে কাঁচামাল পরিবহনকারী যানবাহন, নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।

খবর পেয়ে মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল, দেবীদ্বার থানা পুলিশ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বেলা ১টার দিকে গাছটি কেটে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “কৃষ্ণচূড়া গাছটি আগের কয়েকটি ঝড়ের কারণে কিছুটা হেলে ছিল। রবিবার সকালে সেটি উপড়ে মহাসড়কের ওপর পড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতায় দ্রুত গাছটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। লরিটি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।”

স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ ও হেলে পড়া গাছগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও জনভোগান্তি এড়ানো যায়।

×