দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
Listen to this article as a podcast
0:00 / 0:00
View Transcript
Host: তাহলে চলুন, আজকের এই লেখাটার কথা বলি—'জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে', ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বক্তব্য নিয়ে। প্রথমেই, আমার চোখে পড়েছে, মুরাদনগরের কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণের বিষয়টা। এটা আপনি কীভাবে দেখেন?
Guest: হ্যাঁ, এটাতে আসলে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির একটা বাস্তব উদাহরণ চোখে পড়ে। কায়কোবাদ বলেছিলেন, সরকার শুরু থেকেই কৃষক কার্ড, বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালু করেছে। আমার মনে হয়, কৃষকের হাতে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্র পৌঁছে দেওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ।
Host: ঠিক। বিশেষ করে যখন কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার কথা আসছে, তখন এসব যন্ত্রপাতির সুবিধা কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। আরেকটা বিষয়, তিনি বলেছেন, সরকার এই কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে—মানে, পুরো দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
Guest: হ্যাঁ, এবং এই বক্তব্যটা বেশ স্পষ্ট—'সরকার বদ্ধপরিকর'। তবে, আপনাকে কি মনে হয়, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য, না কি সত্যিই টেকসই উন্নয়নের অংশ?
Host: ভালো প্রশ্ন। উন্মুক্ত বিতরণ কর্মসূচি হলে অনেক সময় স্বল্পমেয়াদী লাভ হয়, কিন্তু টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে কার্যকর প্রয়োগের উপরে। তবে, এখানে যেহেতু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাদের প্রকল্পের আওতায় ২২টি ইউনিয়নে ১৬৭টি কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে, এটা মনে হচ্ছে একটু গোছানো উদ্যোগ।
Guest: ঠিক বলেছেন। এখানে শুধু যন্ত্রপাতি দেওয়া হয়নি, বরং বেড প্ল্যান্টার, ধান ও ভূট্টা মাড়াই যন্ত্র, ধান কর্তন যন্ত্র, সেচ পাম্প—বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র দেয়া হয়েছে। মানে, ফসল চাষের নানা ধাপে সাহায্য করার জন্য।
Host: হ্যাঁ, এবং মজার বিষয় হচ্ছে, কায়কোবাদ শুধু কৃষকদের কথা বলেননি, তিনি ইমাম-মোয়াজ্জিন আর পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা চালুর কথাও বলেছেন। আবার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির কথাও এসেছে।
Guest: সেটা আসলে সরকারের সামগ্রিক জনকল্যাণমূলক চিন্তার অংশ বলেই মনে হয়। ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতা চালু করা মানে শুধু কোনও একটি শ্রেণির জন্য নয়, সমাজের নানা স্তরের মানুষের প্রতি নজর দেওয়া।
Host: একদম। আর এই অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সবাই উপস্থিত ছিলেন। একটা সমন্বিত উদ্যোগের চিত্র ফুটে ওঠে।
Guest: হ্যাঁ, স্থানীয় যুবনেতা মো. কামাল উদ্দিন পিন্টুর মতো লোকজনও বিশাল জনসমাগম নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, মাঠ পর্যায়ে এসব কার্যক্রম কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে।
Host: তবে, একটা বিষয় মাথায় আসে—সরকারি উদ্যোগে যন্ত্রপাতি বিতরণে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেটা কি আমরা জানি?
Guest: ভালো পয়েন্ট। বাস্তবতা হচ্ছে, সরকারি বিতরণ কর্মসূচিতে মাঝেমধ্যে কিছু চ্যালেঞ্জ আসে—যেমন কাদের হাতে যন্ত্রগুলো পৌঁছাচ্ছে, ব্যবহারের প্রশিক্ষণ আছে কি না, এসব বিষয়। তবে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যেহেতু সম্পৃক্ত, আশা করা যায় কিছু মনিটরিং আছে।
Host: আরেকটা দিক, এইসব যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য কি কৃষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে? কারণ, শুধু যন্ত্র দিলেই তো হবে না, ব্যবহার করতে না পারলে লাভ নেই।
Guest: ঠিক বলেছেন। প্রশিক্ষণ ছাড়া যন্ত্রের ব্যবহার হয় না, বরং অনেক সময় ফেলে রাখা হয়। তবে, সরকার যদি এই বিষয়টা নজরে রাখে, তাহলে এই উদ্যোগ টেকসই হতে পারে।
Host: আর, পুরো বক্তব্যে একটা ব্যাপার স্পষ্ট—'এই সরকার জনগণের সরকার, জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে'—এটা কায়কোবাদ বেশ দৃঢ়ভাবে বলেছেন।
Guest: হ্যাঁ, এই বক্তব্যে রাজনৈতিক বার্তা যেমন আছে, তেমনি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির প্রতি অঙ্গীকারও আছে। তবে, বাস্তবতা যাচাইয়ের দায়িত্ব আমাদের, অর্থাৎ নাগরিকদেরও আছে।
Host: ঠিক। আমাদের উচিত, এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটা পর্যবেক্ষণ করা।
Guest: আর, যেহেতু কৃষি আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি, কৃষকদের জন্য টেকসই সমর্থন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
Host: একদম। আজকের আলোচনাটা এখানেই শেষ করি। শুনে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
Guest: ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন।
কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার কৃষিবান্ধব নীতিতে এগোচ্ছে এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কৃষি সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি কৃষকের হাতে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ দাবি করেন, বর্তমান সরকার ইমাম-মোয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা চালু করেছে এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তার ভাষায়, “এই সরকার জনগণের সরকার, জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম সারোয়ার রাব্বীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) একেএম কামরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ, মুরাদনগর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন এবং বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি শফিউল আলম।
অনুষ্ঠানে কাজিয়াতল গ্রামের যুব নেতা মো. কামাল উদ্দিন পিন্টু শতাধিক লোক নিয়ে ধর্মমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ অর্থবছরে মুরাদনগরের ২২টি ইউনিয়নে মোট ১৬৭টি কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বেড প্ল্যান্টার, ধান ও ভূট্টা মাড়াই যন্ত্র, ধান কর্তন যন্ত্র এবং সেচ পাম্প।
পিরোজপুরে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। শুক্রবার (৮ মে) দিনব্যাপী তিনি গণপূর্ত বিভাগের আওতায় বাস্তবায়নাধীন একাধিক প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে তিনি নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি, গুণগত মান ও স্থায়িত্ব যাচাই করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশনা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত বিভাগ বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেদ হুসাইন, বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস, পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমানসহ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান প্রকৌশলী বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে অবকাঠামোগত কাজের মান নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
এসময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে পরিবেশবান্ধব ও ‘গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে প্রধান প্রকৌশলী পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগ কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি ফলজ ও একটি বনজ গাছের চারা রোপণ করেন।
বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্মুক্ত স্থানে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।
ভারতের West Bengal বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী সকল প্রার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
৮ মে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-এর পক্ষ থেকে এ অভিনন্দন বার্তা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী সকল প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর নেতা Suvendu Adhikari-কেও বিশেষভাবে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এতে পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
পিরোজপুরে প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় প্রকাশ্যে ঋণ ও বিনিয়োগ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পিরোজপুর শহরের পার্টি হাউস কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি পিরোজপুর শাখা ‘লিড ব্যাংক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক মো. ফিরোজ আহমেদ, ইসলামী ব্যাংকের ইভিপি মো. জিল্লুর রহমান পাটোয়ারী এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মহিউদ্দিন তালুকদার।
ইসলামী ব্যাংক বরিশাল জোনের ইভিপি ও জোনপ্রধান মো. সরোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিরোজপুর শাখার প্রধান মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ঋণগ্রহীতাদের পক্ষ থেকে নারী ও পুরুষ প্রতিনিধি ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা যোগ্য গ্রাহকদের মাঝে ঋণ ও বিনিয়োগের চেক বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক কৃষক, ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এ স্কিমের আওতায় বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।