শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

নির্যাতনের পর ছবি ছাপা—তসলিমার চোখে ‘ধর্মনিরপেক্ষ প্রতারণা’

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫, ৮:২৪ পিএম
নির্যাতনের পর ছবি ছাপা—তসলিমার চোখে ‘ধর্মনিরপেক্ষ প্রতারণা’
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর একদিকে চলছে নির্যাতন, অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে মন্দিরের ছবি ছাপানো হচ্ছে নতুন মুদ্রায়—হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি সম্বলিত টাকার নোট দেখতে পেয়ে অনেকে রিতীমতো থমকে গেছেন! এই দ্বিচারিতাকে “প্রতারণা ও প্রচারণার ফাঁদ” বলে অভিহিত করেছেন প্রবাসে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত নতুন নোটে একটি হিন্দু মন্দিরের ছবি ছাপানো হয়েছে। এতে একদিকে সরকার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ মুখোশে বিশ্ব সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে দেশের মাটিতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে সমালোচনা উঠেছে।


❝তসলিমার প্রতিবাদ❞

তসলিমা নাসরিন তাঁর ফেসবুক পেজে লেখেন:

“সরকার হিন্দুদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। একদিকে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে, অন্যদিকে মন্দিরের ছবি ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছে।”

তিনি আরও বলেন, “ইউনুস সরকারের আমলে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাদের প্রতীকে পরিণত করে রাজনীতি করা হচ্ছে।”


🔥 “জিহাদিরা নাকি জ্বালিয়ে দেবে এই নোট”

তসলিমার মতে, কিছু উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী ইতোমধ্যে নতুন টাকায় মন্দিরের ছবি দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্ট্যাটাসে দেখা গেছে, কেউ কেউ নোট জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি দিয়ে রীতিমতো হিন্দুদের বোকা বানানো হয়েছে বলে অনেকে সমালোচনা করেন।


🧕‍ তসলিমার নির্বাসনের ইতিহাস ও প্রাসঙ্গিকতা

১৯৯৪ সালের আগস্টে খালেদা জিয়ার আমলে দেশত্যাগে বাধ্য হন তসলিমা নাসরিন। মায়ের কান্না, ভাইবোনের আহাজারি পেছনে ফেলে দেশ ছাড়তে হয় তাঁকে।
তিনি বলেন,

“বাংলাদেশই আমার দেশ, কলকাতা বা ইউরোপ নয়। আমি বাংলার মাটি, বাতাস, ভাষার টানেই বেঁচে থাকতে চাই।”

তসলিমা দীর্ঘদিন ধরে ভারত, ইউরোপ ও আমেরিকায় নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। নারীবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে লেখালেখির কারণে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হলেও নিজ দেশে এখনও নিষিদ্ধ, অবাঞ্ছিত ও বিতর্কিত।

হিন্দু নির্যাতন ও মন্দিরের ছবি এ নিয়ে বরাবরই সাহসি প্রতিবাদ করে আসছেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তার বিষয়ে সামান্য ধারনা পেতে পড়তে পারেন নিচের তসলিমা নাসরিন দেশে ফেরার বাধা কোথায় এ প্রতিবেদনটি পড়ুন —

তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার বাধা কোথায়? 


🔎 প্রতারণা না প্রচারণা?

বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার নতুন টাকায় মন্দিরের ছবি ছাপিয়ে সংখ্যালঘুদের প্রতি সহানুভূতির বার্তা দিতে চাচ্ছে। তবে এটি মূলত বিশ্বমঞ্চে ‘সেক্যুলার ইমেজ’ প্রদর্শনের কৌশল, বাস্তবতা ভিন্ন।

অনেকের মতে, এধরনের প্রচার যদি সত্যিই আন্তরিক হতো, তাহলে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দেওয়া হতো, হামলার বিচার হতো, মন্দির-দখল রোধ করা হতো।


📢 ফেরার দাবিতে প্রশ্ন: তসলিমার দেশে ফিরতে বাধা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেন তসলিমা দেশে ফিরতে পারেন না? এই প্রশ্নও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। লেখিকার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কোনো অপরাধী নন, শুধুমাত্র লেখার মাধ্যমে মত প্রকাশের জন্য তাঁকে দেশছাড়া হতে হয়েছে।


📌 শেষ কথা

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ও রাষ্ট্রের দ্বিমুখী নীতির বিরুদ্ধে তসলিমা নাসরিনের মতো কণ্ঠগুলো আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে—আসলেই কি আমরা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে বাস করছি? নাকি এটি এক রাজনৈতিক মুখোশমাত্র?


✅ বর্তমান সরকার মত প্রকাশে চরম বাধা দিচ্ছেন- তা পড়তে ক্লিক করুন

বঙ্গবন্ধুকে ‘সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে নতুন সংজ্ঞা: প্রশ্নের মুখে দখলদার ইউনূস বাহিনী

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

বন্যপ্রাণী সেবার উদ্ধার অভিযান

চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

জালালুর রহমান | মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার একটি চা বাগানে চা পাতা সংগ্রহের সময় একটি অজগর সাপ দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। নিরাপত্তার স্বার্থে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।

চা পাতা তুলতে গিয়ে শ্রমিকদের সামনে অজগর সাপ।
আতঙ্কে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান শ্রমিকরা।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
উদ্ধারের পর অজগরটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া চা বাগানের সেক্টর-৯ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে চা পাতা সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় ঝোপের মধ্যে একটি বড় আকৃতির অজগর সাপ দেখতে পেয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা দ্রুত কাজ বন্ধ করে বাগান কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে চা বাগানের ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত অজগরটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।

কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর অভিযান

দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দুটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে উপজেলার তুলাগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরে রামের দিঘিরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুস ছামাদকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি কাটার কারণে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস, খাল-বিল ও জলাশয়ের ক্ষতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

গোরস্তানে প্রতিবাদে হামলা

দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে গোরস্তানে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার জেরে এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভূষণা গ্রামের মজিব কমিশনার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কর্মরত শহিদুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। সেই উদ্দেশ্যে স্বজন সফিকুল ইসলাম (৭০) কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরস্থানের এক পাশে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে দেখতে পান। তিনি তাদের সেখান থেকে সরে যেতে বললে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় দেবীদ্বারের কথিত ‘রেড ৯৯৯’ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত রামিম (১৭) সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর বাম হাতে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে আহত সফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তাঁর হাতে ছয়টি সেলাই দিয়েছেন।

আহত সফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি কবর খুঁড়তে গিয়ে কয়েকজনকে কবরস্থানে অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর এক কিশোর তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে থাকা কিশোরীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেয়।

দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানভির জানান, অভিযুক্ত রামিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক অভিযানেও তাঁর এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আহত ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ বা মামলা করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

×
CLOSE X