মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

তথ্য আপা মানেই সরকারি প্রহসন? সাত বছরে বেতন কেটে নেওয়া ২০ কোটি টাকা

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ জুন, ২০২৫, ১:৪৬ এএম
তথ্য আপা মানেই সরকারি প্রহসন? সাত বছরে বেতন কেটে নেওয়া ২০ কোটি টাকা
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তথ্য আপা প্রকল্পের কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলা অবিচার এবার পূর্ণমাত্রায় প্রকাশ পেল—বেতন কর্তনের নামে সাত বছরে তাঁদের কাছ থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে ২০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। অথচ এই অর্থ কোথায় গেছে, তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ‘তথ্য আপা’ ও ‘বেতন কর্তন’—এই দুটি শব্দ এখন পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার প্রতীকে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে এই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করা হয়। টানা ১৭ দিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেওয়া তথ্য আপাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানাতে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

সমাবেশে লেখক ও গবেষক ড. মাহা মির্জা বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে তথ্য সেবা কর্মকর্তারা ২৭,১০০ টাকা এবং সহকারী কর্মকর্তারা ১৭,০৪৫ টাকা বেতনে নিয়োগ পান। অথচ ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে অজ্ঞাত কারণে তাঁদের বেতন কেটে দেওয়া হয়, যা মন্ত্রণালয় আজও ব্যাখ্যা করতে পারেনি।

তথ্য অনুসারে, প্রতিজন তথ্য সেবা কর্মকর্তার বেতন থেকে কাটা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার এবং সহকারী কর্মকর্তার থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা। সব মিলিয়ে ১,৯৬৮ জনের কাছ থেকে ২০ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ২০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে—একটি চূড়ান্ত আর্থিক দুর্নীতির উদাহরণ। যদিও ২০২২ সালে আদালতের রায় তাঁদের অনুকূলে আসে, কিন্তু সেই অর্থ আজও ফেরত দেওয়া হয়নি।

চাকরি স্থায়ীকরণ ও রাজস্বখাতে স্থানান্তরের আশ্বাস বারবার দেওয়া হলেও এখন ১,৯৬৮ জন তথ্য আপা এক ধাক্কায় চাকরিচ্যুত হতে চলেছেন। অথচ প্রকল্প ডিপিপিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল তাঁদের স্থায়ী করার কথা। এটা যে প্রতারণার নামান্তর, তা এখন আর গোপন নেই।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কেউ এসে এই নারীদের কথা শোনেননি। বরং শান্তিপূর্ণভাবে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে গেলে পুলিশ তাঁদের ওপর হামলা চালায়—এটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এক লজ্জাজনক নজির।

তথ্য আপাদের পক্ষ থেকে ঝালকাঠির তথ্য সেবা কর্মকর্তা সংগীতা সরকার এবং কুমিল্লার সহকারী কর্মকর্তা শান্তা ইসলাম বলেন, “আমরা ভিক্ষা চাই না, আমাদের পরিশ্রমের টাকা ফেরত চাই। আর চাই সম্মানজনকভাবে চাকরি স্থায়ী হোক।”

তথ্য আপা ও বেতন কর্তনের এই নিদারুণ বাস্তবতা আজ প্রমাণ করে, উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে কেবল ফাইল ঠেলা নয়, জীবনের ওপর চেপে বসা প্রহসনও নির্মাণ হয়—যার দায় কেউই নেয় না।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

জাপান-বাংলাদেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২:৪৫ এএম
জাপান-বাংলাদেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ মে বাংলাদেশ সফররত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন পলিসি ব্যুরোর অধীন সিকিউরিটি কোঅপারেশন ডিভিশনের পরিচালক ইনোউয়ে শুউনিচিও উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে যোগাযোগ বৃদ্ধি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ: বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক, জাপান রাষ্ট্রদূত, নিরাপত্তা সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা আলোচনা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানকে চ্যালেঞ্জ

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

“রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ” — আরাফাত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, তারেক রহমান দাবি করেছেন যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঋণ নিয়ে এবং চার গুণ বেশি ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা তিনি দেননি বলেও মন্তব্য করেন আরাফাত।

তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রূপপুর প্রকল্প প্রতিযোগিতামূলক খরচেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগকে তিনি “অপপ্রচার” বলে অভিহিত করেন।

ফেসবুক পোস্টে আরাফাত আরও লেখেন, “চার ভাগের এক ভাগ দামে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে দেখান, তারপর এসব কথা বলবেন।”

ঋণের বোঝা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাবে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জনগণই এর সুফল ভোগ করবে। একই সঙ্গে জনগণের টাকাতেই ঋণ পরিশোধ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত দাবি করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী প্রায় ৬০ বছর দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ স্বল্পমূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ইউনিট খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বহুমুখীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প।

পোস্টের শেষাংশে তিনি মন্তব্য করেন, “এটি বোঝার জন্য ন্যূনতম জ্ঞান, সততা ও সক্ষমতা প্রয়োজন।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সহযাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

কুমিল্লার আঞ্চলিক সাংবাদিকতায় পরিচিত ও সাহসী মুখ শাহজাদা এমরান। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় সমস্যা, সামাজিক অসঙ্গতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় আঞ্চলিক দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে শাহজাদা এমরান কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এর আগে তিনি আমাদের কুমিল্লা পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংবাদিকতামূলক ও সামাজিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজের সঙ্গেও বিভিন্ন পেশাগত আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে লেখালেখির কারণে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েন এবং এক পর্যায়ে আটকও হন। তবে পরবর্তীতে তিনি আবারও সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় ফিরে আসেন।

এদিকে আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে শাহজাদা এমরান জানান, কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে তিনি সফলভাবে ২৫০তম টকশো সম্পন্ন করেছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে আজ সম্পন্ন করলাম ২৫০তম টকশো। এই দীর্ঘ পথচলায় যারা পাশে থেকেছেন, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা দিয়ে সাহস জুগিয়েছেন সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনই এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। ভালোবাসা ও শুভকামনা সবার জন্য।”

সাংবাদিক শাহজাদা এমরানের এই অর্জনে কুমিল্লার সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×