হাজার জনের ভিড়ে যাকে আলাদা করে চেনা যায়—কায়কোবাদ

হাজার জনের ভিড়ে যাকে আলাদা করে চেনা যায়—কায়কোবাদ। ছবি : দৈনিক আজকের কথা
মুরাদনগরের ‘দাদা’ এখন রাষ্ট্রীয় মঞ্চে: বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী বঙ্গভবনের দরবার হল। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনীতিক, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিতি দিয়ে বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর-বাঙ্গরা) আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ্ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
মুরাদনগর ও বাঙ্গরা অঞ্চলের মানুষের কাছে যিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও দীর্ঘদিন ধরে আপনজন হিসেবে পরিচিত, সেই কায়কোবাদকে স্থানীয়রা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ‘দাদা’ বলে সম্বোধন করেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এমন একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির ছবি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও তাঁর অনুসারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
হাজার মানুষের ভিড়ে যাকে আলাদা করে চেনা যায়—তিনি আর কেউ নন, আমাদের ‘দাদা’।

হাজার জনের মাঝে যাকে আলাদা করে চেনা যায়, তিনি আমাদের দাদা—মুরাদনগর-বাঙ্গরার মানুষের প্রিয় নেতা ও ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি আমাদের গর্বিত করেছে।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে কায়কোবাদ
বঙ্গভবনের ঐতিহ্যবাহী দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান শপথ গ্রহণ করেন। শপথ অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিরা তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব কাজী শাহ্ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদও উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এমন অনুষ্ঠানে একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর উপস্থিতি তাঁর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বেরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে মুরাদনগর-বাঙ্গরার মানুষের কাছে এটি নিজ এলাকার একজন রাজনৈতিক নেতার জাতীয় পর্যায়ে দৃশ্যমান উপস্থিতিরও একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।
একটি ছবিই ছড়িয়ে দিল উৎসাহ
বঙ্গভবনের শপথ অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব ড. সফিকুল ইসলাম। পরে সেই আলোকচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ছবিতে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদকে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অতিথির সঙ্গে দেখা যায়। ছবিটি প্রকাশের পর মুরাদনগর ও বাঙ্গরা অঞ্চলের তাঁর সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
স্থানীয়দের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তাঁদের কাছে এটি শুধু একটি ছবি নয়—বরং দীর্ঘদিনের পরিচিত একজন নেতাকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিক পরিসরে দেখার আবেগেরও বহিঃপ্রকাশ।
তৃণমূলের রাজনীতি থেকে জাতীয় পরিসরে
কাজী শাহ্ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দীর্ঘদিন ধরে মুরাদনগরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে।
১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাঁর সংসদীয় রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশের কথা উল্লেখ করা হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সময়ে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০০২ সালে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার পর বর্তমানে ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—এমন তথ্য তাঁর রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে সামনে আসে।
কেন ‘দাদা’?
রাজনীতিতে নেতাদের পরিচিতি সাধারণত পদ-পদবি, দলীয় অবস্থান কিংবা নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে যুক্ত থাকে। কিন্তু কায়কোবাদের ক্ষেত্রে ‘দাদা’ সম্বোধনটি অনেকটা আলাদা আবেগ বহন করে।
মুরাদনগরের বিভিন্ন বয়সী মানুষের মুখে তাঁর নামের সঙ্গে ‘দাদা’ শব্দটির ব্যবহার দীর্ঘদিনের। স্থানীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই সম্বোধন কেবল আনুষ্ঠানিক কোনো পরিচয় নয়; বরং তাঁর সঙ্গে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাঁর অনুসারীরা মনে করেন।
শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যেও তাঁকে ঘিরে এই আবেগের কথা স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে আসে। ফলে জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠানে কায়কোবাদকে দেখা গেলে সেটি স্বাভাবিকভাবেই মুরাদনগরের মানুষের আগ্রহের বিষয় হয়ে ওঠে।
বঙ্গভবনের সেই মুহূর্ত, মুরাদনগরের আবেগ
একদিকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিকতা, অন্যদিকে মুরাদনগরের মানুষের আবেগ—বঙ্গভবনের একটি আলোকচিত্র যেন এই দুই বাস্তবতাকে একই ফ্রেমে এনে দিয়েছে।
কায়কোবাদ সমর্থকদের কাছে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি নিঃসন্দেহে গর্বের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষণের জায়গা থেকে দেখলে, একজন তৃণমূলের নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে রাষ্ট্রীয় পরিসরে দৃশ্যমান হওয়াটিও তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
মুরাদনগর-বাঙ্গরার মানুষের প্রত্যাশা এখন আরও বড়—জাতীয় রাজনীতির এই অবস্থান যেন এলাকার মানুষের উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ, ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
বঙ্গভবনের দরবার হলের সেই ছবি তাই শুধু একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের স্মৃতি নয়; মুরাদনগরের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি হয়ে উঠেছে স্থানীয় মানুষের আবেগ, প্রত্যাশা ও গর্বের একটি প্রতীকী মুহূর্ত।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
দেবীদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবরে শতাধিক ফার্মেসি বন্ধ

“মেয়াদোত্তীর্ণ, অনিবন্ধিত ও ঔষধ কোম্পানির স্যাম্পল বিক্রি থেকে ফার্মেসি মালিকদের বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র সংরক্ষণ ও নির্ধারিত রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা জরুরি।”
কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঔষধ কোম্পানির স্যাম্পল বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের খবর পেয়ে নিউমার্কেট এলাকার শতাধিক ফার্মেসি বন্ধ করে মালিকরা সরে পড়েন। পরে খোলা থাকা ১৫টি ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে ৮টিতে অনিয়ম পাওয়ায় মোট ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দেবীদ্বার পৌরসভার নিউমার্কেট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
খোলা ১৫টির ৮টিতে অনিয়ম, জরিমানা ৪৬ হাজার; বাসকেও ৫ হাজার টাকা দণ্ড
দেবীদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নিউমার্কেটের মোট ১১৮টি ফার্মেসির মধ্যে খোলা থাকা ১৫টি ফার্মেসি পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে ৮টি ফার্মেসিতে অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ এবং ঔষধ কোম্পানির স্যাম্পল পাওয়া যায়।
পরে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩-এর প্রযোজ্য ধারায় সংশ্লিষ্ট ৮টি ফার্মেসিকে মোট ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের খবর পেয়ে যেসব ফার্মেসি মালিক দোকান বন্ধ করে পালিয়েছেন, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য ও অভিযানে সহযোগিতা না করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের শোকজ করা হবে।
অভিযানকালে কুমিল্লা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। দেবীদ্বার থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
এদিকে, নির্ধারিত স্থানে বাস পার্কিং না করে সড়কে যানজট সৃষ্টির দায়ে এমএইচ ও নিউ সুগন্ধা পরিবহনের দুটি যাত্রীবাহী বাসকে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর প্রযোজ্য ধারায় মোট ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফার্মেসি মালিকদের অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার নিয়মিত হালনাগাদ রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে অবৈধ, অনিবন্ধিত, ঔষধ কোম্পানির স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিন বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ঔষধের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং সড়কে মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মুরাদনগর মিনি স্টেডিয়াম উন্নয়নে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ

আধুনিক প্যাভিলিয়ন, ড্রেনেজ ও উন্নত মাঠ পাবে ক্রীড়াঙ্গন
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। উপজেলা সদরের মিনি স্টেডিয়ামের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রাক্কলন অনুমোদন দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের সমাজকল্যাণ অবকাঠামো বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি মিনি স্টেডিয়ামটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া কমপ্লেক্সে রূপ নেবে।

মুরাদনগর মিনি স্টেডিয়ামের উন্নয়নে ৬ কোটি টাকার এই বরাদ্দ নিঃসন্দেহে আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি বড় অর্জন। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন স্টেডিয়াম হলে এলাকার তরুণদের খেলাধুলায় আগ্রহ বাড়বে এবং এখান থেকেই জাতীয় পর্যায়ের অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। তাই প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়ন করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় প্রথমেই ভূমি ও খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হবে। মাঠে দোআঁশ মাটি ভরাট, মানসম্মত ঘাস লাগানো, নেটসহ দুটি গোলপোস্ট স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ইটের গাঁথুনির কাজ করা হবে।
প্রকল্পের অন্যতম আকর্ষণ হবে ৭০ ফুট বাই ৪০ ফুট আয়তনের দুইতলা আধুনিক প্যাভিলিয়ন ভবন। শক্তিশালী পাইলিং ফাউন্ডেশনের ওপর নির্মিত ভবনটিতে থাকবে অফিস কক্ষ ও আধুনিক টয়লেট ব্লক। ভবনের সামনে দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধা ও নান্দনিকতা বাড়াতে নির্মাণ করা হবে ১০ ফুট চওড়া স্ট্যাম্পড প্লাজা।
স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে প্যাভিলিয়ন ভবনের ওপর এমএস পাইপ ও প্রোফাইল শিটের সমন্বয়ে স্টিলের দৃষ্টিনন্দন ছাউনি নির্মাণ করা হবে। পাশের অংশে থাকবে গ্যালভালুম ক্ল্যাডিং এবং দর্শকদের জন্য বসার সুব্যবস্থা।

মুরাদনগর মিনি স্টেডিয়ামের উন্নয়ন শুধু একটি অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; এটি আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ক্রীড়া পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে এলাকার অসংখ্য প্রতিভাবান তরুণ নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পাবে।
খেলোয়াড়দের সুবিধার জন্য প্যাভিলিয়ন ভবনে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহের পাশাপাশি পুরো স্টেডিয়ামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে প্রকল্পে।
এদিকে, মিনি স্টেডিয়ামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পুরো এলাকা ঘিরে আরসিসি ও সারফেস ড্রেন নির্মাণ করা হবে। ফলে বর্ষা মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও উদীয়মান খেলোয়াড়রা এ উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ হলে মুরাদনগরের তরুণরা আধুনিক পরিবেশে নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ পাবেন। এতে স্থানীয় পর্যায়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াবিদ তৈরির পথও আরও সুগম হবে।
বিরোধী দলের ওপর কোনো জুলুম-অত্যাচার নয়: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের, জাতির ও জনগণের দুশমন
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর কোনো ধরনের জুলুম, অত্যাচার, অন্যায় ও অবিচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য, ধর্মমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগর বড় মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
কায়কোবাদ বলেন, “বিরোধী দলের ওপর যেন কোনো অত্যাচার-জুলুম না হয়, কোনো অন্যায়-অবিচার না হয়—সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। তারা আমাদেরই ভাই। তারা যেন মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”

বিরোধী দলের ওপর যেন কোনো অত্যাচার-জুলুম না হয়, কোনো অন্যায়-অবিচার না হয়—সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। তারা আমাদেরই ভাই। তারা যেন মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “ষড়যন্ত্র থেকেও আমাদের সজাগ থাকতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের দুশমন, জাতির দুশমন এবং সাধারণ মানুষের দুশমন। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আমাদের শপথ নিতে হবে—আমরা অন্যায় করব না, অবিচার করব না, জুলুম করব না। আমরা আওয়ামী লীগের মতো জুলুম-নির্যাতন করব না। আমরা সৎভাবে জীবনযাপন করব। আমাদের হাত দ্বারা কোনো ভাই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন।”
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা ও কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা মুজিবুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, আজিজ মোল্লা, ফারুক সরকার মজিব, শাহআলম সরকার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল সামাদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খাইরুল হাসান, জাসাসের আহ্বায়ক আবু বক্কর ও জিসাসের আহ্বায়ক জসীমউদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, দুলাল আহমেদ, জহির সিদ্দিকী, কৃষক দলের আহ্বায়ক নায়েব আলী, ওলামা দলের আহ্বায়ক মো. মহিবুল্লাহ, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ, যুবদল নেতা মাসুম মুন্সী, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান জুয়েল, ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সদস্যসচিব মো. সুমন মাস্টার এবং কাজী নোমান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. এনামুল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মুরাদনগর উপজেলা হেফাজতের নায়েবে আমির হাফেজ মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। দোয়ায় দেশ, জাতি ও মানুষের কল্যাণ কামনা করা হয়।




































